• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

ইউনাইটেড হাসপাতালের নার্সকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

127668_1ঢাকা: রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে রোগীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে নার্স (ব্রাদার) সাইফুল ইসলামকে আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে গ্রেপ্তার করে মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

সোমবার সকালে বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর যৌন হয়রানির অভিযোগে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে হাজিরের দিন ধার্য ছিল।

কিন্তু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান জোনের উপকমিশনার (এসি) মো. রফিক ও গুলশান থানার ওসি সিরাজুল হক আদালতে হাজির হয়ে ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি বলে জানান।

এ সময় আদালতকে এসি মো. রফিক বলেন, ‘আমরা তাকে (আসামি) গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। কিন্তু খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি পলাতক। গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এ পর্যায়ে আদালত আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন- ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। তিনি পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ জানিয়েছে, তারা আসামিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তাই আদালত তাদের আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে।’

গত ৩০ নভেম্বর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) এক নারী রোগীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে ২ ডিসেম্বর বিষয়টি জানাজানি হয়।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত নার্স সাইফুলের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

পরে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবর আমলে নিয়ে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।

পরে ওই রোগী সাংবাদিকদের জানান, তিনি অজ্ঞান ছিলেন। হঠাৎ জ্ঞান ফিরে দেখেন, বুকের ওপর একটি হাত। একই সঙ্গে তার শরীরের কাপড় (চাদর) সরানো হচ্ছে। তিনি তাকিয়ে দেখেন, ওই হাত একটা ছেলের।

তিনি নার্সদের ডাকার চেষ্টা করেন। প্রায় আধা-ঘণ্টা পর নার্স আসেন। নার্স এসে এ ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন এবং তার স্বামীকে না জানাতে অনুরোধ করেন।

এক পর্যায়ে ওই নারী তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

১৬ ঘণ্টা পর তার স্বামীর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সাইফুল ইসলামকে পুলিশে সোপর্দ করতে বলেন। কিন্তু তারা তাকে পুলিশে দিতে রাজি হয়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার তাকে মামলা করার জন্য বলেছে। কিন্তু তিনি মামলা না করেই সাইফুলকে পুলিশে দেওয়ার কথা বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ